সিটিজি নিউজ ডেস্ক: গত ০৮/০৪/২০২৬ইং তারিখে শ্রী শ্রী রাধা মদন মোহন জীউর মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষে- জনৈক বিজয় কুমার দাশ, পিতাঃ হরি মোহন দাশ, গ্রাম ও ডাকঘর: পূর্ব গুজরা, থানাঃ রাউজান, জেলা- চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মহোদয় বরাবর “চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ১০ নম্বর পূর্ব গুজরা পুলিশ ফাঁড়ির তদন্ত কর্মকর্তা এস আই কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ‘শ্রী শ্রী রাধা মদন মোহন জীউর মন্দির’ নামীয় হিন্দু ধর্মীয় উপাসনালয় হইতে মাটি ভরাটের বিষয়কে কেন্দ্র করে নগদে ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা ঘুষ গ্রহণ” এর বিষয়ে অভিযোগ করেন যে, অভিযোগকারী ১০নং পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা হন। বিগত ০৩/০৪/২০২৬ ইং তারিখে ৮নং কদলপুর ইউনিয়নের পশ্চিম কদলপুর ও ১০নং পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত উপরোক্ত শ্রী শ্রী রাধা মদন মোহন জীউর মন্দিরের বাউন্ডারি দেওয়ালের পাশে মাটি ভরাটকে কেন্দ্র করে, এস আই কিবরিয়া ৫০ হাজার টাকা দাবী করে। টাকা না দিলে মাটি কাটার সরঞ্জাম নিয়ে যায় এবং দাবীকৃত টাকা না দিলে মাটি কাটার জড়িত ব্যক্তিগণকে গ্রেফতার করার হুমকী প্রদান করেন। কর্তৃপক্ষ গ্রেফতার এড়াতে অনেক দেন দরবারের মাধ্যমে নগদে ২০ হাজার টাকা দিয়ে কোন রকম রক্ষা পায়। ২০ হাজার টাকা গ্রহনের পর উক্ত পুলিশ অফিসার উদ্ধত্যপূর্ণ আচরনের মাধ্যমে জানান যে, আমি সি, সি, ক্যামরার সামনে টাকা নিচ্ছি, পারলে কিছু করিছ। আর বলে দিচ্ছি, টাকা গ্রহনের বিষয়টি নিয়ে বেশী বাড়াবাড়ি করিলে, পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে মর্মে সতর্ক করেন। তবে শর্ত দেয় যে, ওসির জন্য ৫০ হাজার এবং তার জন্য ৪০ হাজার টাকা দিলে, মাটি কাটতে বাধা নাই। মন্দিরের বাউন্ডারি দেওয়াল পড়ে যাওয়ার উপক্রম হইলে বাউন্ডারির পূর্ব সাইটে মাটি দিয়ে ভরাট করার প্রয়োজন পড়ে তাই বাধ্য হইয়া মাটি ভরাটের ব্যবস্থা করা হয়।

শুনছি অনেক পুলিশ ঘুষ খায়। কিন্তু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হইতে ঘুষ নিবে, তাহা ভাবতে অবাক লাগে। এদের মত গুটি কয়েক পুলিশ অফিসারের কারণে পুরা পুলিশ প্রশাসনের বদনাম হয় বিধায় এই ঘুষখোর এস আই এর বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আবেদন করিতেছি।পত্রিকায় বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের জন্য অভিযোগের অনুলিপি সভাপতি সাহেব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ঐক্য পরিষদ ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব বরাবর প্রেরণ করা হয়।
অভিযোগের সাথে ০১ পাতার মধ্যে ৬টি মাটি ভরাটের ছবি সংযুক্ত করেন। উক্ত অভিযোগটি সাংবাদিক আনছারী প্রাপ্ত হইয়া ঘটনার সত্যতা জানার জন্য, তখন উক্ত এস আইকে ফোন করিয়াছিলেন। তৎপ্রেক্ষিতে তিনি আনছারীর প্রতি ক্ষুব্ধ হন এবং মোবাইলের মাধ্যমে হুমকীর স্বরে কথা বলেন, যাহা উর্ধ্বত্বন কর্তৃপক্ষের সুনজরে আনার জন্য তাহার ফেসবুক আই ডিতে পোস্ট করেন। উল্লেখ্য যে, তিনি আজকে আনছারীকে বেশ কয়েকবার ফোন দেন। সর্বশেষ ২৪/৮/২৬ ইং বিকাল আনুমানিক ৩:৫২ মিঃ। কাজে ব্যস্ত থাকায় ধরতে না পারায়, কিছুক্ষণ পর বিকাল আনুমানিক ৪:৫২ মিঃ আনছারী তার ব্যবহৃত ০১৮১৯-১০৭৭৩০ নং মোবাইল হইতে ফোন করিলে, উক্ত এস আই তার পরিচয় গোপন করে, আনছারী কি করে, কোথায় থাকে, তিনি নাকি আসতেছেন ইত্যাদি মর্মে কথোপকথনের এক পর্যায়ে মোবাইল কেটে দেয়। উক্ত বিষয়ে আনছারী সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করি।
