প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ
রিপোর্টারের নাম
-
আপডেট টাইম :
বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬
-
৩
বার পঠিত
-
- প্রতিবাদলিপি
সম্প্রতি “চট্টগ্রাম সমাচার” নামের একটি অনলাইন মাধ্যমে শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া ও তাঁর পরিবারকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের তথ্যসমূহ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, একপাক্ষিক, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমরা মনে করি। উক্ত প্রতিবেদনে যে সকল অভিযোগ ও মন্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তার পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য-প্রমাণ, আদালতের রায় কিংবা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।
বিশেষভাবে উল্লেখ্য, প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে সুলতানা রাজিয়া নাকি সাংবাদিকদের প্রতি অশালীন ভাষা ব্যবহার করেছেন। আমরা এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সুলতানা রাজিয়া দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। একজন শিক্ষিকা হিসেবে তিনি সবসময় শালীনতা, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে আসছেন। তাঁর ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থানের সঙ্গে এ ধরনের আচরণের কোনো সামঞ্জস্য নেই। এছাড়াও আমরা লক্ষ্য করেছি যে “চট্টগ্রাম সমাচার” নামে পরিচালিত উক্ত অনলাইন মাধ্যমটির প্রকাশক, সম্পাদক, কার্যালয়ের ঠিকানা কিংবা নিবন্ধন সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট তথ্য প্রকাশিত নেই। ফলে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ও বৈধতা সম্পর্কে জনমনে প্রশ্ন তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূলনীতি হলো তথ্য-যাচাই, নিরপেক্ষতা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণ করা। কিন্তু উক্ত প্রতিবেদনে এসব নীতির কোনো প্রতিফলন দেখা যায়নি।
আমরা বিশ্বাস করি, কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হলেই তাকে অপরাধী হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় না। বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিক ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার রাখেন। যদি কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তবে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত।
সুলতানা রাজিয়া ও তাঁর পরিবারের সামাজিক মর্যাদা, ব্যক্তিগত সম্মান এবং পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা, অতিরঞ্জিত ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হলে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়। আমরা সংশ্লিষ্ট সকল গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাই, ভবিষ্যতে কোনো সংবাদ প্রকাশের পূর্বে যথাযথ তথ্য-প্রমাণ যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টির নিরপেক্ষ, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু তদন্ত কামনা করছি এবং সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি যেন যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করা হয়।
সত্য, ন্যায় ও বস্তুনিষ্ঠতার স্বার্থে আমরা আশা করি, প্রকৃত ঘটনা যথাযথ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণের সামনে উঠে আসবে এবং কোনো নির্দোষ ব্যক্তি বা পরিবার যেন অযথা হয়রানি ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, তা নিশ্চিত করা হবে।
বিনীত,
সুলতানা রাজিয়া ও পরিবারের সদস্যবৃন্দ
নিউজটি শেয়ার করুন
এ জাতীয় আরো খবর..