1. admin@banglawebs.com : banglawebs :
  2. ctgnews16@gmail.com : ctgnewsbd : Nurul Absar Ansary
  3. techsupport9056@gmail.com : techsupport90 :
  4. yg8yvgslpg@gmail.com : wp6htgwc :
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চবিতে ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন: রবিন নামক শিক্ষার্থীকে ঘিরে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি - Ctg News BD
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:৩৫ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চবিতে ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন: রবিন নামক শিক্ষার্থীকে ঘিরে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি হাটহাজারীতে সরকারি গেজেট লঙ্ঘন করে মাদ্রাসায় পুনরায় সভাপতি হওয়ার পাঁয়তারা চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ফারহানাজের বিরুদ্ধে জমি রেজিস্ট্রি নিতে প্রতারণা, ভয়ভীতি ও জবর দখলের হুমকির অভিযোগ সাংবাদিক মোঃ কামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র গ্রহণযোগ্য নয় দুদককে নিয়ে অবাক করা তথ্য দিলেন সেই পিপি বাংলাদেশের মানুষ বুঝে গেছে রাজনীতির খেলা Vertex Life International Ltd-এর ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের মামলা বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বিএসসিতে রেকর্ড পরিমান মুনাফা “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের প্রতিবাদে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ব্যাখ্যা” প্রতিবাদলিপি ছয় মাস কারাভোগ শেষে মুক্ত সবুজ, নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি

মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চবিতে ভর্তি নিয়ে প্রশ্ন: রবিন নামক শিক্ষার্থীকে ঘিরে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ, তদন্ত দাবি

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৬৩ বার পঠিত

সিটিজি নিউজ ডেস্কঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি হওয়া এক শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র করে মুক্তিযোদ্ধার সনদ ব্যবহারে অনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সিআইডি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দপ্তরের কাছে তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, নরসিংদীর বাসিন্দা রবিন মিয়া নামে এক শিক্ষার্থী ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগে ভর্তি হন, যিনি বর্তমানে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থানা এলাকায় বসবাস করিতেছে। অভিযোগকারীর দাবি, তার ভর্তি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত মুক্তিযোদ্ধা কোটার বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে এবং বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন।


অভিযোগে যা বলা হয়েছেঃ- অভিযোগকারীর ভাষ্যমতে, রবিন মিয়ার পিতা জহিরুল হকের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন প্রশ্ন রয়েছে। অভিযোগে দাবি করা হয়, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার পরিচয় ব্যবহার অথবা জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা নেওয়া হয়ে থাকতে পারে। যদিও এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে রাশেদুল আলম নামের এক ব্যক্তি এবং তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি চক্র জড়িত থাকতে পারে। অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম ও মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহারে জালিয়াতির অভিযোগ তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তদন্তে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে:-
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তদন্ত করা প্রয়োজন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নথিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম রয়েছে কিনা,
মুক্তিযোদ্ধার গেজেট, সনদ ও অন্যান্য দলিলপত্রের সত্যতা,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আবেদনের সময় জমা দেওয়া কাগজপত্র, সংশ্লিষ্ট উপজেলা ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের রেকর্ড, জাতীয় পরিচয়পত্র ও পারিবারিক তথ্যের সঙ্গে দাখিলকৃত তথ্যের সামঞ্জস্য,প্রয়োজন হলে সিআইডির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে দলিল যাচাই।
ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিক হেনস্তার অভিযোগঃ-
অভিযোগকারী সাংবাদিক নুরুল আবছার আনছারী দাবি করেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে সম্প্রতি সীতাকুণ্ডের বিএমএ রেল গেইট এলাকায় গেলে, প্রতারক একাধিক মামলার আসামী রাশেদুল আলমসহ তার দলীয় কিছু অসৎ ব্যক্তি তাকে ঘিরে মানসিক চাপ সৃষ্টি করেন এবং শারীরিকভাবে হেনস্তার চেষ্টা করেন। তিনি এ বিষয়ে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন বলেও উল্লেখ করেছেন। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন:-
অভিযোগে বলা হয়েছে, ভর্তি প্রক্রিয়ার সময় জমা দেওয়া নথিপত্র যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছিল কিনা, সেটিও তদন্তের দাবি রাখে। যদি কোনো জাল সনদ ব্যবহার হয়ে থাকে, তাহলে তা কীভাবে যাচাই প্রক্রিয়া অতিক্রম করেছে, সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, মুক্তিযোদ্ধা কোটা একটি সংবেদনশীল বিষয়। এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত, নিরপেক্ষ ও তথ্যভিত্তিক তদন্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
মুক্তিযোদ্ধা কোটার মর্যাদা রক্ষার দাবি:-
মুক্তিযোদ্ধা কোটার সুবিধা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত। ফলে জাল সনদ বা ভুয়া তথ্য ব্যবহার করে কেউ সুবিধা নিয়ে থাকলে তা শুধু আইনগত অপরাধই নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।
সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, অভিযোগের সত্যতা থাকলে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। অন্যদিকে অভিযোগ মিথ্যা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।


প্রশাসনের প্রতি আহ্বান:-
অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, অভিযোগের বিষয়গুলো সরেজমিন তদন্ত, নথি যাচাই, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে দ্রুত নিষ্পত্তি করা হোক। এতে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে এবং জনমনে বিদ্যমান প্রশ্নেরও অবসান ঘটবে।


(বিঃদ্রঃ এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত তথ্যসমূহ একটি লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে উপস্থাপিত হয়েছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রকাশ করা হবে।)

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD