এরা সবাইবাংলাদেশে “ডিপ স্টেট” এর সাথে যারা জড়িত, তাদের চেনা জরুরী, কারা পিছনে রোল প্লে করে তা জানা দেশের প্রতিটা মানুষের জরুরী।এরা হচ্ছে – ১) ক্ষমতালোভী সরকারি উচ্চপর্যায়ের আমলা (সচিব লেভেল) ২) দুর্নীতিপরায়ন গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার প্রভাবশালী অংশঃ ডিজি এফআই, এন এস আই এর উচ্চ পর্যায়ের অফিসার, সামরিকবাহিনীসহ পুলিশের নীতিনির্ধারণী স্তর। ৩) অর্থনৈতিক এলিটঃ মনোপলিস্ট, মদ-জুয়া-ড্রাগস-ক্যাসিনো-নাইট ক্লাবসহ অপরাধ জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত অসৎ ব্যবসায়ীদের মাফিয়া চক্র।৪) আওয়ামীপন্থি, বিএনপিপন্থি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অসৎ নেতারা, হলুদ মিডিয়া ও সাংবাদিক এবং খারাপ সাংস্কৃতিক কর্মী, লেখক ও শিল্পী, সেলিব্রিটি খেলোয়াড় সহ বিভিন্ন পেশার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। ৫) বাংলাদেশে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভারত-আমেরিকা-ইসরাইলসহ ইউরোপের শক্তিশালী দেশগুলোর এ্যাম্বেসেডর ও গোয়েন্দা, এনজিও।

এই “ডিপ স্টেট” কখনোই চায়না যে বাংলাদেশের সরকারি অফিসগুলোতে ঘুষ, প্রকল্প লুট,ব্যাংক লুট,জমি দখল, ঠিকাদারি-চাঁদাবাজি ইত্যাদি কাজ বন্ধ হোক।এই “ডিপ স্টেট” কখনোই চায়না যে তাদের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করবে – তাদের পরিণতি হবে আবরার, আবু সাঈদ, হাদীসহ অনেক শহীদদের মত।

অপরাধী ছাড়া পেলেও নিরপরাধীরা বছরের পর বছর জেলে বন্দিই রয়ে যায়।তাইতো এই “ডিপ স্টেট” জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ভোট ইন্জিয়ারিং করে কখনো বিএনপি বা কখনো আওয়ামিলীগকে ক্ষমতায় বসায়।এরাই সংবিধানের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত ও শোষণ করা করায়। গুটি কয়েক চাটুকার ও স্বার্থপর আইনজীবীদের মাধ্যমে গ্যাড়াকলে ফেলে জনগণকে হয়রানি করায়। এরাই তথাকথিত শিক্ষিত শ্রেণীকে সুশিল বানায়, মধ্যপ্রাচ্যের রাজতন্ত্রের পূজারী মোল্লাদের দিয়ে প্রকৃত ধর্মপ্রান মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে, তথাকথিত ছাত্র ও শিক্ষকদের দিয়ে জোরপূর্বক রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করে।

এরাই নারী ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে ফাঁসিয়ে দেয়, তাদের কুকর্মের ভিডিও ভাইরাল করার ভয় দেখিয়ে ট্র্যাপে ফেলে আর বাধ্য করে “ডিপ স্টেট” এর হুকুমের গোলাম হয়ে তাদের কথামত কাজ করতে। তবে এটাও সত্য যে, কিছু পরিবার ভিত্তিক দল ও মার্কার অন্ধভক্ত পাতি নেতার উৎপাতের কারনেও সাধারন মানুষকে কষ্ট পেতে হয়। এই মূর্খ ও লোভী মানুষদেরকে সহজেই কিনে নেয় “ডিপ স্টেট” কখনো নগদ টাকা দিয়ে আবার কখনো “ফ্যামিলি কার্ডের প্রলোভন দেখিয়ে।

বাংলাদেশের জনগণের সম্পত্তি। কারো বাবার সম্পত্তি না। বিএনপি-আওয়ামিলীগ জনগণের চোখের সামনে দেশটাকে নিকৃষ্টভাবে দলীয়করন, আত্মীয়করন এবং পারিবারিক গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠানে পরিনত করেছে। জনগণের আদালতে এদের কোনো ক্ষমা নেই। আগামীর অভ্যুত্থানে এই “ডিপ স্টেট” ভেঙ্গে দিতে পারলেই জনগণ পাবে জুলাইয়ের ফসল, দেশের প্রথম ও প্রকৃত স্বাধীনতা॥


