1. ctgnews16@gmail.com : ctgnewsbd : Nurul Absar Ansary
  2. banglahost.net@gmail.com : rahad :
চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনায় গ্রেফতার ১ - Ctg News BD
শুক্রবার, ০১ মার্চ ২০২৪, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
ঘোষনা
পেকুয়ায় দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ৪ প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ছাত্রীদের যৌন হয়রানি: ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার ২৫ সাইবার আইনের কয়েকটি ধারা সাংবাদিকদের বিপদে ফেলতে পারে: বিচারপতি হাসান চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে টপসয়েল কাটায় লাখ টাকা জরিমানা সার্কাস ও চাঁদাবাজির কাজে হাতি ব্যবহার করা যাবে না সংরক্ষিত নারী আসন: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এমপি হলেন ৫০ জন, গেজেট মঙ্গলবার আনোয়ারায় মাজারের জমি দখলের অপচেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপি বলল, ‘কিছু বলার নেই’ ‘তারা আমাকে জেলে পাঠাতে পারে’: জার্মান গণমাধ্যমকে প্রফেসর ইউনূস

চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনায় গ্রেফতার ১

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৩
  • ১৭৪ বার পঠিত

চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সাইবার ইউনিট। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম উদ্ধার করা হয়। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) নওগাঁ ও রাজশাহীর মোহনপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাগর প্রকাশ রিমন (২৬) নওগাঁ জেলার মান্দা থানার বাংড়া এলাকার মো. হাসানের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকার দায়িত্বরত এক পুলিশ সার্জেন্টকে ফোন দেন মো. সাগর ওরফে রিমন (২৩)। ফোনে সাগর নিজেকে পুলিশ সুপার (এসপি) পরিচয় দেন। এরপর ওই সার্জেন্টকে একটি বিকাশের দোকানে যেতে বলেন। দোকানে নিজের পরিচয় উল্লেখ করে একটু কথাবার্তা বলে সার্জেন্টকে পুনরায় কর্মস্থলে চলে যেতে নির্দেশনা দেন তিনি।

সার্জেন্ট চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর আবার দোকানিকে ফোন দেন সাগর। এরপর সরকারি কাজে টাকা লাগছে বলে ৫২ হাজার টাকা একটি নম্বরে পাঠাতে বলেন। এসময় তাকে বলা হয় আগে যে সার্জেন্ট দোকানে গিয়েছিল তিনিই টাকা পরিশোধ করে দেবেন। একবার পুলিশের পোশাক পরা লোক আসায় বিশ্বাস করে সাগরের কথামতো দোকানি টাকা পাঠিয়ে দেন।

পরে ওই সার্জেন্ট আর টাকা নিয়ে আসেননি। অন্যদিকে ফোন দেওয়া সাগরের কোনো পরিচয় কিংবা তার সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগের সুযোগও পাচ্ছিলেন দোকানি। একপর্যায়ে তিনি বুঝতে পারেন এসপি পরিচয় দেওয়া সাগরের মাধ্যমে তিনি প্রতারিত হয়েছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী দোকানি ২৭ নভেম্বর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সদরঘাট থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার দায়িত্বভার পায় নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তারা তদন্ত করে ক্লু-লেস মামলাটির রহস্য উদঘাটন করে। পরে রাজশাহীর মোহনপুর এলাকা থেকে অভিযুক্ত সাগরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের বিশেষায়িত সংস্থাটি। গ্রেপ্তারের পর নিজেদের কার্যালয়ে এনে সদরঘাট থানা এলাকার চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের কর্মকর্তারা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি জানায়, সে নিজেকে পুলিশের এসপি, এডিশনাল এসপি পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে বিকাশ এবং নগদ একাউন্ট ব্যবহার করে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রথমে সে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের কন্ট্রোল রুম নম্বর নিয়ে নিজেকে পুলিশের এসপি, এডিশনাল এসপি পরিচয় দিয়ে কল দেয়। পরে কন্ট্রোল রুম থেকে ওই থানা এলাকায় পুলিশ অফিসারের মোবাইল নম্বর নিয়ে তাকে কল দেয়। তাকে পুলিশ সুপার বা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পরিচয় দিয়ে স্থানীয় বিকাশ এজেন্টের সাথে কথা বলে কৌশলে তার মোবাইল নম্বর নিতো। পরে কৌশলে এজেন্টের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিতো। ইতিমধ্যে সে অসংখ্য ভুক্তভোগীর কাছ থেকে বিকাশ ও নগদ একাউন্টের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানায় কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের সাইবার ইউনিটের এই কর্মকর্তা।

নগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের উপ-কমিশনার (ডিসি) লিয়াকত আলী খান বলেন, সাধারণত ওয়েবসাইট কিংবা কোনো মাধ্যম থেকে নম্বর সংগ্রহ করে টার্গেটকৃত এলাকার পুলিশ কর্মকর্তাকে ফোন দিতেন তিনি। নিজেকে পরিচয় দিতেন এসপি কিংবা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এরপর ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে পাঠাতেন কোনো বিকাশের দোকানে। একটু কথাবার্তা বলে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে পুলিশ কর্মকর্তাকে চলে যেতে বলতেন।

কিছুক্ষণ পর আবার ওই বিকাশের দোকানিকে ফোন দিয়ে টাকা পাঠাতে বলতেন। আগে একবার পুলিশের পোশাক পড়া লোক আসায় দোকানি বিশ্বাস করে টাকা পাঠিয়ে দিতেন। এভাবে অভিযুক্ত যুবক প্রতারণা করে আসছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার সঙ্গে ৩ থেকে ৪ জন জড়িত বলে তিনি স্বীকার করেছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আসিফ মহিউদ্দিন বলেন, গ্রেপ্তার যুবক অন্তত ৩ বছর ধরে এরকম প্রতারণা করে আসছে। তিনি সহযোগীদের নিয়ে এরকম ঘটনা ৩০ থেকে ৩৫ বার ঘটিয়েছে। তার বিরুদ্ধে রাজধানী, রাজশাহী, পাবনা ও নওগাঁ জেলার বিভিন্ন থানায় মাদকদ্রব্য, জালিয়াতি ও প্রতারণাসহ পাঁচটি মামলা তদন্তাধীন এবং আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। সবশেষ সদরঘাট থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে চট্টগ্রাম আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD