দুর্নীতি দমন কমিশন কে বাংলাদেশে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করা হয় এবং সব সময় বিরোধী রাজনৈতিক দলের টুটি চেপে ধরতেই দুদকঃ এডভোকেট মোসারফ হোসেন কাজল।

আত্তগোপনে থাকা এডভোকেট মোসারফ হোসেন কাজল আজ একটি অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকদের সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আইনের বিভিন্ন দিক তুলে এবং তার অতীত আইন প্যাক্টিসের কথাও বলেন।
তিনি বলেন আমি রাজনীতি কখনো করিনি, আমার বাড়ি ফরিদপুর সেই সূত্র ধরেই আমার দুদকের আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ পাওয়া।

আমার দেখা দুদকের বিভিন্ন কার্যক্রম আমি নিজে জেনেই হতবাক হই। আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধের আইনজীবী অর্থাৎ দুদকের আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছি।
বেগম খালেদা ই একজন ব্যক্তি যাকে দুদক ২ কোটি টাকা জন্য দুর্নীতি মামলা দেয় এবং তাকে ৫ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত যা হাইকোর্টে গিয়ে সাজার মেয়াদ বেড়ে আরও ১০ বছর হয়।

আমি যখন সরকারের হুকুম পালন করবো তখন আমার কাছে মানবতা বলতে কিছু থাকবে না, কারণ খালেদা জিয়াকে কেন এমন সাজা দেয়া হলো তা আবার সাজা না কমে বাড়ল কেন তা আমি কখনোই বলতে পারি না বা বলবো না।
এমন হাজারও মামলা আছে যা সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের বিরুদ্ধে করা হয় কিন্তু প্রসাশনের বিরুদ্ধে লাখ লাখ অভিযোগ থাকলেও মামলা হয় না বিচারও হয় না, কারন প্রসাশন ই আসল নাটের গুরু।তারা দুর্নীতি করে আর রেশ ভোগ করে রাজনৈতিক দলের নেতারা।

আপনারা দেখুন সরকার পরিবর্তন হওয়ার সাথে সাথে ই বিরোধী দল বা বিরোধী শক্তির দুর্নীতির বিচার শুরু হয় আর ক্ষমতায় থাকতে সরকার তাদের নেতাদের বা তাদের প্রসাশনের দুর্নীতি চোখে দেখে না এটাই আমাদের টেনডেনসি হয়ে গিয়েছে।

(প্রতারক মিজান হইতে সাবধান। মিজান প্রতারণা মামলার আসামী। বর্তমানে আত্নগোপনে।)
বাংলাদেশের জনগন দেখাতে পারবেন না দুর্নীতিতে সাজা হয়েছে সেই সাজা টেকসই হয়েছে, সরকার পরিবর্তন হলেই জামিন হয়ে যায় কোন না কেনভাবে।যদিও জামিন প্রত্যেক নাগরিকদের অধিকার।

আমাদের দেশের সব অফিসে দুর্নীতি আছে কিন্তু সরকার বা দুদক তা চোখে দেখে না, তারা বিরোধী দল কে দমন করতে সরকার যেভাবে চায় সেভাবে করে থাকেন অথচ দুদক একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠান।
উপজেলার সরকারি অফিস, জেলার সমস্ত সরকারী অফিস,সচিবালয়, এবং মন্ত্রনালয় গুলিতে সীমাহীন দুর্নীতি হয় এবং সাধারণ জনগন দুর্নীতির কারনে টাকা ছাড়া কোন কাজ ই করাতে পারেন না, সাধারণ জনগনের পক্ষে কেউ কথা বলারও নেই।

আপনি এক কথায় বলতে পারেন দুদক বিরোধী দল কে দমন করার হাতিয়ার বটে। আমি বা আমরা কি করতে পারি, আমরা আইনজীবী, আমরা আইনের গন্ডির বাইরে যেতে পারি না বা কোন আইনজীবী সরকারের কোন পদে থেকে সরকারের বিরুদ্ধে কোন কথা বলা যায় না,তবে হা কর্মে না ফিরে সরে আসা যায়।

তাতে লাভ কি? কেউ না কেউ ঐ পদে আসিন হয়ে কাজ করতে থাকবেন। আইনজীবীদের দোষ দিয়ে কোন লাভ নেই, আইনজীবীরা কারো দালাল হতে পারে না, তারা হুকুমমত পালনকারী।
সরকারের বিভিন্ন এজেন্টরা আমাদের যা বলে দেন আমরা তাই মিডিয়ায় বলি। বর্তমানে যারা পিপি বা এপিপি অথবা দুদকের আইনজীবী হিসেবে কাজ করছেন তারাও দেখবেন আমাদের মতো করে কথা বলবে, কাজও করবে।

দুদক কে রাজনৈতিক দলগুলি শক্তিশালী করার কথা সব সরকারের আমলেই বলে থাকেন বাস্তবে কিছু না, ওটা জনগনকে বোকা বানাতে বলা হয়।