1. admin@banglawebs.com : banglawebs :
  2. ctgnews16@gmail.com : ctgnewsbd : Nurul Absar Ansary
ওষুধ কেনার টাকা নেই তাই পেটে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যা রিকশাচালকের - Ctg News BD
সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২২ অপরাহ্ন
ঘোষনা
বৈশ্বিক অস্থিরতার মধ্যেও বিএসসিতে রেকর্ড পরিমান মুনাফা “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের প্রতিবাদে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) ব্যাখ্যা” প্রতিবাদলিপি ছয় মাস কারাভোগ শেষে মুক্ত সবুজ, নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি চরলক্ষ্যায় জমি নিয়ে বিরোধে ব্যবসায়ীর ওপর হামলা–চাঁদা দাবির অভিযোগে আদালতে মামলা। কদলপুর আইডিয়াল হাই স্কুলে অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তের দাবী মানবাধিকার সংস্থার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা চান্দগাঁও থানায় দায়েরকৃত ইজ্জত নষ্ট মামলায় চার্জশীটভুক্ত রিয়াজ উদ্দিন রানা কি পার পাচ্ছেন? মিথ্যা মামলা করে হয়রানির অভিযোগ তৈয়ব শাহের — পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন রাউজানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আড়ালে হরিলুটের অভিযোগ BNP জামায়াতসহ যে দলগুলো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন

ওষুধ কেনার টাকা নেই তাই পেটে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যা রিকশাচালকের

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৬ মার্চ, ২০২৪
  • ৭৫৪ বার পঠিত

রাজধানীর হাতিরঝিলের মধুবাগের একটি বাসায় অভাবের সংসারে চিকিৎসার জন্য ওষুধ কিনতে না পেরে জয়নাল আবেদীন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিজের পেটে ছুরি ঢুকিয়ে আত্মহত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত ওই ব্যক্তি পেশায় রিকশাচালক ছিলেন।

মঙ্গলবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে রাত পৌনে ৯টায় মারা যান তিনি।

জয়নাল আবেদীন রংপুরের পীরগঞ্জ থানার হাসানপুর গ্রামের মৃত মোজামিয়ার ছেলে। বর্তমানে মগবাজার মধুবাগের ৩ নম্বর গলির বাসায় ভাড়া থাকতেন।

নিহতের স্ত্রী মঞ্জিলা বেগম জানান, আমার স্বামী রিকশা চালাতেন। চার বছর আগে হার্টের রোগ ধরা পড়ে তার। আমি বাসা বাড়িতে কাজ করি। আমার এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়েটি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। ছেলেটির বয়স পাঁচ বছর। আমরা গরিব মানুষ। হার্টের রোগের চিকিৎসা করাতে অনেক টাকা পয়সা লাগে। আমার স্বামী এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে কোনো কাজই করতে পারত না। আমাদের মা-মেয়ের সামান্য এই টাকায় সংসার চলত। অভাবের সংসারে খুব কষ্ট করে দিন চলে আমাদের। স্বামীর হার্টের রোগের চিকিৎসার জন্য এত টাকা পয়সা আমাদের নেই। তাই কখনো আমরা তার জন্য ওষুধ কিনে দিতে পারতাম, আবার অনেক সময় পারতাম না।

তিনি আরও জানান, আজ সন্ধ্যার পর শরীরের ব্যথায় আমার স্বামী কাতর হয়ে পড়ছিলেন। কিন্তু টাকা না থাকায় তার জন্য ওষুধ আনতে পারিনি। এই কষ্টে আমার স্বামী নিজের পেটে চাকু চালিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। পরে আমরা এই অবস্থা দেখে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। পরে এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রাতের দিকে মারা যায়।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিল থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় এক ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মরদেহটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। আমরা বিষয়টি হাতিরঝিল থানাকে জানিয়েছি। ঘটনাটি তারাই তদন্ত করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD