☞মা-বাবা ও পরিবারের সদস্যরা ভাবেন—ছেলে বড় কোনো মিডিয়ায় চাকরি করছে, লাখ টাকা বেতন পাচ্ছে, গাড়ি-বাড়ি সব আছে!
কে এই ২৯০ মামলায় অভিযুক্ত রেহেনা আকতার?
☞ এলাকার মানুষ ধরে নেন—সাংবাদিক থানার দালালি করে, দেখলেই মানুষ ভয়ে খাম ধরিয়ে দেয়, নানা জায়গার টাকার ভাগ পায়, দুর্নীতিবাজদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কে বিক্রি হয়ে যায়!
☞রাজনৈতিক নেতাদের ধারণা—মাত্র ২০০ বা ৫০০ টাকা দিলেই নিউজ কাভারেজ মিলবে।
☞এনজিও কর্মীরা ভাবে—বিরিয়ানির প্যাকেট আর ৩০০ টাকার হলুদ খামই সাংবাদিকের চাবিকাঠি।
☞পুলিশ ও প্রশাসন ভাবে—তারা যা বলবে, সাংবাদিক তাই লিখবে; ওটাই যেন তাদের একমাত্র কাজ।
☞আর সাধারণ মানুষের মতে—সাংবাদিক মানেই সরকারের দালাল, টাকা নিয়ে শুধু মিথ্যা লেখে।
➤ কিন্তু বাস্তব চিত্র ভিন্ন। এক-দুইজন ব্যতিক্রম বাদ দিলে, সাংবাদিকের আয় এতটাই সীমিত যে লজ্জায় কেউ তা প্রকাশ করে না। মাস শেষে হিসাব মিলাতে গিয়ে অনেকেই হাঁপিয়ে ওঠেন। অন্য পেশার মতো কোনো স্থায়ী ভবিষ্যৎ বা নিরাপত্তা নেই এই পেশায়। তবুও অনেকেই নেশার মতো ভালোবাসা থেকে এই পেশায় থেকে যান—নিজের আর পরিবারের ভবিষ্যতের চেয়ে মানুষের ভবিষ্যতের জন্য কাজ করতে। তাদের কাজের মূল্যায়ন প্রায়ই হয় কটু কথায়, সন্দেহে, আর দোষারোপে। তাই প্রয়োজন—ঐক্যবদ্ধ সাংবাদিকতা, কোনো দল বা নেতার চামচামি নয়, ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ। কারণ—সত্যের শক্তিই সাংবাদিকতার আসল শক্তি।