1. admin@banglawebs.com : banglawebs :
  2. ctgnews16@gmail.com : ctgnewsbd : Nurul Absar Ansary
রাউজানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আড়ালে হরিলুটের অভিযোগ - Ctg News BD
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৪:০৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা
মানবাধিকার সংস্থার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা চান্দগাঁও থানায় দায়েরকৃত ইজ্জত নষ্ট মামলায় চার্জশীটভুক্ত রিয়াজ উদ্দিন রানা কি পার পাচ্ছেন? মিথ্যা মামলা করে হয়রানির অভিযোগ তৈয়ব শাহের — পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন রাউজানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আড়ালে হরিলুটের অভিযোগ BNP জামায়াতসহ যে দলগুলো জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেন কে এই লাভলী? তালাক কার্যকরের পরেও তালাকদাতার পিছু ছাড়ছেনা! ইকবালের খরিদা সম্পত্তিতে বাধা প্রদানকারী কে এই ইসমাইল! সিটিজি নিউজ সাইকেল হাউজ, খুলনা নামক পেইজের আড়ালে চলছে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাতের মহোৎসব চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিস্ফোরক মামলার আসামীকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সময়ের দাবী

রাউজানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আড়ালে হরিলুটের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩১৫ বার পঠিত

রাউজানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আড়ালে হরিলুটের অভিযোগ

সচেতন মহলের দাবি — অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হউক।

সিটিজি নিউজ এর নিজস্ব প্রতিবেদকঃ- চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নে সরকারি চাল ও নগদ অর্থ আত্মসাতের ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কদলপুর ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় মোট ২৬৮ জন তালিকাভূক্ত উপকারভোগী রয়েছেন। তবে অভিযোগ রয়েছে— এদের মধ্যে প্রায় ১৬০ থেকে ১৮০ জনকে ৪৫০ টাকার বিনিময়ে মাত্র ২৫–২৬ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে, যেখানে সরকারের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিজন উপকারভোগীর প্রাপ্য ছিল ৩০ কেজি চাল, প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতি বস্তায় গড়ে ৪–৫ কেজি করে চাল কম দেওয়া হয়েছে, যা ১৮০ জন উপকারভোগীর ক্ষেত্রে মোট প্রায় ৯০০ কেজি চাল আত্মসাতের সমান। এছাড়া ২৬৮ জনের বাকী যারা কোনো কারণে চাল পাননি— সেই ৮৮ জনের বরাদ্দ ২৬৪০ কেজি চালও বিতরণ না হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হিসাব অনুযায়ী, কদলপুর ইউনিয়নে সর্বমোট ৩,৫৪০ কেজি চাল এবং প্রায় ১৩,৫০০ টাকা আত্মসাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এছাড়া মাস্টাররোল ও কার্ডধারীর নামের অমিল, একই ব্যক্তি একাধিক কার্ডে চাল গ্রহণ এবং অর্থের বিনিময়ে বেশ কয়েকজন লোক নীজের প্রাপ্যাংশ ছাড়াও অতিরিক্ত চালের বস্তা নেওয়ার ঘটনাও স্থানীয়রা শনাক্ত করেছেন বলে অভিযোগ করেন।

 

বিতরণ কার্যক্রমে দায়িত্বে থাকা টেক অফিসার/ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জয়তি বসু, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট অপরাপর দপ্তরের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে স্থানীয়রা গরিব ও অসহায় উপকারভোগীদের বরাদ্দকৃত চাউল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। স্থানীয়দের দাবি, বিতরণকালে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা চাউল বিতরণের স্থান কদলপুর আশরাফ আলী/সোমবাজার হাটস্থ চৌধুরী স্টোরের পাশে উপস্থিত থাকেন না বরং নির্দিষ্ট লোকের মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের পর কাগজপত্রে স্বাক্ষর দেন।

এলাকার সচেতন মহল বলছেন, “এই অনিয়ম শুধু সরকারি সম্পদ নয়, অসহায় মানুষের হক নষ্ট করা।” তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে সৎ কর্মকর্তার মাধ্যমে স্বচ্ছ তদন্ত ও জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন বা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বা খাদ্য কর্মকর্তার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে। অপরদিকে অভিযুক্তরা তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত। প্রশাসনিক তদন্ত বা আদালতের রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত হলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Theme Customized BY WooHostBD